জেলার খবর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জেলার খবর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মাছ চাষে বছরে ১২ লাখ টাকা লাভ করেন শিক্ষক আব্দুর রহিম

মাছ চাষে বছরে ১২ লাখ টাকা লাভ করেন শিক্ষক আব্দুর রহিম

সুষম ভাবে কার্প জাতীয় মিশ্র মাছ চাষ করে জেলা ও উপজেলায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন কালুখালী উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের পাকশিয়া গ্রামের মাছচাষি মো. আব্দুর রহিম মোল্লা। তিনি কালুখালী ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক।
মাছ চাষ শুরুর মাত্র দুই বছরের মধ্যে তিনি সফলতা পেয়েছেন। যা থেকে বছরে সকল খরচ বাদ দিয়েও প্রায় ১২ লাখ টাকা আয় করছেন। আব্দুর রহিমের চাষ করা মাছ রফতানি হচ্ছে রাজবাড়ীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।



জানা গেছে, বেসরকারি একটি কলেজে শিক্ষকতা করলেও বেতন-ভাতা সুবিধাজনক না হওয়ায় ২০০৭ সালে বাবা মো. হাবিবুর রহমান মোল্লার উৎসাহে ৫টি পুকুর নিয়ে মাছ চাষ শুরু করেন শিক্ষক আব্দুর রহিম মোল্লা। শুরু থেকেই তিনি ভিন্ন মাধ্যমে মাছ চাষ করতে থাকেন এবং নিজের উৎপাদিত কাঁচামাল দিয়ে মাছের খাবার তৈরি করেন। যার জন্য তিনি এখন ওই এলাকায় 'নির্ভেজাল' মাছচাষি হিসেবে পরিচিত।
রবর্তীতে একে একে তিনি তার পুকুরের সংখ্যা ৫টি থেকে বাড়িয়ে ১০টিতে রূপান্তরিত করেন এবং ২০০৯ সালেই তিনি এ মাছ চাষে সফলতা পান। এরপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। এ বিষয়ে তিনি সব সময় তার পরিবার এবং বন্ধু ডা. ফজলুর রহমান ও অধ্যাপক মিজানুর রহমানের সহযোগিতা পেয়েছেন। সফল মাছচাষি হওয়ায় তিনি গত বছর উপজেলা এবং চলতি বছর জেলার সফল মাছচাষির পুরস্কারও পেয়েছেন।
২০ বিঘা জমির উপর ১০টি পুকুরে তিনি রুই, মৃগেল, গ্রাস কার্প, মিরর কাপ, কাতল, সিলভার কাপ, ব্রিগ হেড, ব্ল্যাক কাপ, বাটা, দেশি মাগুর, শিং জাতীয় মাছ চাষ করছেন। এ ১০টি পুকুরের ৪টিতে রেনু পোনা, ৪টিতে পোনা ও ২টিতে বড় মাছের চাষ করেন।



তিনটি পদ্ধতিতে তিনি মাছ চাষ করেন। যেমন রেনু থেকে ধানী, ধানী থেকে পোনা ও পোনা থেকে বড় মাছ। মাছের খাবার হিসেবে খৈল, ভুট্টা, রাইছ পালিশ, চিটা গুড়, লবন ও ভিটামিন জাতীয় ওষুধের সমন্ময়ে তিনি মিশ্র সুষম জাতীয় খাবার তৈরি করেন। এছাড়াও ৩টি শেডে তিনি বয়লার মুরগির র্ফাম করছেন। ফর্মের মুরগির বিষ্টা ব্যবহার করছেন তার নিজস্ব ফসলি জমিতে।
জেলা মৎস্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ীতে ২০১৬-১৭ অর্ধ বছরে মাছ চাষের চাহিদা ছিল ২৬.০০০ মেট্রিক টন। লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে ২৫.২৮ মেট্রিক টন এবং জেলায় ১৯ হাজার ১৮০টি পুকুরে মাছ চাষ হচ্ছে।
মাছচাষি মো. আব্দুর রহিম মোল্লা বলেন, ২০০৭ সালে বাবার উৎসাহে ৫টি পুকুর নিয়ে মাছ চাষ শুরু করেন। তারপর একে একে পুকুরের সংখ্যা বাড়িয়ে ১০টি করেন এবং নির্ভেজাল খাবার দিয়ে তিনি মাছ চাষ করেন। পুকুর ও মাছের পরিচর্যা করার জন্য নিয়মিত ৫ জন শ্রমিক এবং মাছ ধরার সময় ২০ জন তার পুকুরে কাজ করেন।
এ বিষয়ে কালুখালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সারিয়ার জামান সাবু বলেন, সুষম মিশ্র জাতীয় কাপ মাছ চাষে কালুখালী উপজেলায় আব্দুর রহিম মোল্লা একজন সফল মাছচাষি। তার নিজস্ব উৎপাদিত কাচামাল দিয়ে খাবার তৈরি করেন এবং সে খাবার মাছকে খাওয়ান। তাছাড়া রহিম মোল্লা তাদের কাছে যখন যে সহযোগিতা চেয়েছেন মৎস্য অধিদফতর তখনই তা দিয়েছে। তার দেখাদেখি এ অঞ্চলে মাছ চাষে অনেকেই উৎসাহিত হচ্ছে।



সিলেটের সড়কে গাড়ি চলে হেলেদুলে

সিলেটের সড়কে গাড়ি চলে হেলেদুলে

সিলেটে মহাসড়ক থেকে শুরু করে আঞ্চলিক সড়ক পর্যন্ত সর্বত্রই ভাঙাচোরা বেহাল দশা। কোথাও কোথাও সেতু থেকে সড়কের অর্ধেক ধসে খালে পড়ে গেছে। বড় বড় গর্ত বাঁচিয়ে চলতে গিয়ে সড়কে প্রায়ই ঘটছে দুটো গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ। সড়কে ঝরে পড়ছে তাজা প্রাণ। নিম্নমানের কাজ, বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণেই সড়কের এই বেহাল দশা। এই বেহাল দশা কাটাতে বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে ৪০ কোটি টাকা।
সিলেটের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক সিলেট-তামবিল মহাসড়ক। প্রতিদিন শত শত ট্রাক এই সড়কে যাতায়াত করে। ভারতের সঙ্গে সংযোগ সড়ক হিসেবে পাথর-বালুসহ নানা পণ্য বোঝাই ট্রাক দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছে। পর্যটন শহর সিলেটে প্রতিদিন শত শত গাড়ি জাফলং আসে। কিন্তু সিলেট-তামাবিল সড়কে বড় বড় গর্ত গুনে শেষ করা যাবে না। আর বৃষ্টি হলে তো এসব গর্তে পানি জমে কাদাপানি খালের মতো হয়ে যায়। গাড়ি চলে হেলেদুলে। দু'ঘণ্টার যাত্রায় সময় লাগে চার ঘণ্টা। এই সড়কটি গত জানুয়ারি থেকেই ভাঙাচোরা।


অভিযোগ রয়েছে, শুরুতে কাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহৃত হয়েছে। যে কারণে এবার বৃষ্টি বেশি হওয়ায় নিম্নমানের উপকরণ বৃষ্টির জলে মিশে গিয়ে ভেতরের মাটি বের হয়ে গেছে।
sylhet
সিলেটে আগত কয়েকজন পর্যটক জানালেন, সিলেট তামাবিল সড়কে বৃষ্টির দিনে কাদাপানি আর রোদের সময় ধুলোবালি। মূলত রাস্তার ভাঙনের কারণেই পর্যটকদের এই ভোগান্তি। অনেকে এখন জাফলংয়ে আসতে চান না রাস্তা খারাপের কারণে। আবার রাস্তা ভাঙার কারণে ২ হাজার টাকার বদলে গাড়ি ভাড়া ৪ হাজার টাকা লাগছে।
হাইওয়ে পুলিশ বলছে, গত ৯ মাসে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের চন্ডিপুল থেকে শেরপুর পর্যন্ত অংশে অন্তত ৪শ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হয়েছে অনেকে। দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হচ্ছে সড়কের গর্ত থেকে চাকা বাঁচাতে গিয়ে চালকেরা গাড়ি দুর্ঘটনায় মুখে নিয়ে যান। এমনকি কোথাও কোথাও সেতুর মাঝখানে গর্ত হয়ে লোহা বের হয়ে গেছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ উদাসীন।



অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয়রা যখন সড়কের ভাঙনের বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগে যোগাযোগ করেন, তখন ইট নিয়ে সড়কে নামেন তাদের শ্রমিকেরা। গর্তে ইট বিছিয়ে তারা চলে যান। দু'দিনের বৃষ্টিতে আর গাড়ির চাকার চাপে সেই ইট পানিতে গলে মিশে যায়। আবার সড়কের অবস্থা হয় যেই-সেই। আবার রোদের দিনে পাথর ও গালা বোঝাই ট্রাক এসে সড়কে সামান্য পাথর আর বালু ছিটিয়ে গালা ছড়িয়ে চলে যান। এতই নিম্নমানের এই মেরামত যে, একদিকে গর্ত ভরে দেয়া হয়, অন্যদিকে চাকার ঘষায় উঠে পড়ে। এতে আবার সড়কের বেহাল দশা দেখা দেয়।
শুধুই সিলেটের মহাসড়কই নয়, বেহাল দশা ও চরম অবহেলার শিকার জেলার আঞ্চলিক বিভিন্ন মহাসড়কও। এসব সড়কে গর্তের পাশাপাশি আরও ভয়াবহ সমস্যা রয়েছে। সিলেটের বাদাঘাট সড়কে বাদাঘাট সেতুতে সড়ক ধসে পাশের খালে পড়ে গেছে। সড়ক অর্ধেক পড়ে গিয়ে ৩০ ফুটের সড়ক হয়েছে ১৫ ফুট। এই সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চালাতে হয় যানবাহন। গত দু'মাস ধরে সড়ক ধসে পড়েছে। কিন্তু একবারের জন্যও দেখেও যাননি সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) কেউ।



সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্র জানায়, সিলেটের মহাসড়কগুলোর বেহাল দশা কাটাতে সিলেট থেকে বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে ৪০ কোটি টাকা। অক্টোবর মাসে এই বরাদ্দের ব্যাপারে মহাসড়ক পরিদর্শন করবেন সওজের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। এরপর বরাদ্দ দেয়া হবে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে আগামী নভেম্বর মাসে সিলেটের মহাসড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী উৎপল সামন্ত বলেন, বন্যা-অতিবৃষ্টির কারণে সড়কের বেহাল অবস্থা। কিছু কিছু সড়কে কাজ শুরু করা হবে। আর বাকি সড়কে ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ এলে কাজ শুরু হবে। আশা করছি, অক্টোবর মাসেই বরাদ্দ পাওয়া যাবে।
রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রতিবাদ মুনিরীয়া তবলীগের

রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রতিবাদ মুনিরীয়া তবলীগের

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলামানদের ওপর অমানবিক নির্যাতন, গণহত্যার মাধ্যমে জাতিগত নিধনের যে অপচেষ্টা চালাচ্ছে এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে চট্টগ্রাম কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল দরবার শরীফ এবং অরাজনৈতিক তরিক্বতভিত্তিক আধ্যাত্বিক সংগঠন মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ।
দরবার ও সংগঠনের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিজ্ঞপ্তিতে এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে বলা হয়, রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর যে বর্বোরোচিত নৃশংসতা চলছে তা কোন সভ্য সমাজ মেনে নিতে পারে না।



আরও বলা হয়, দ্রুত ও মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নির্যাতন ও জাতিগত নিধন বন্ধ করতে হবে এবং মিয়ানমার সরকারকে রাখাইন রাজ্য থেকে জোরপূর্বক বিতাড়িত সব রোহিঙ্গাদের স্বদেশে প্রত্যাবর্তন ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে।
এ ব্যাপারে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে চরমভাবে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং মিয়ানমার সরকারের ওপর ক্রমাগত চাপ প্রয়োগ করতে হবে।






কাইল থাইক্যা ইলিশ ধরা বন্ধ আইজই বেশি কইরা লইয়া যান

কাইল থাইক্যা ইলিশ ধরা বন্ধ আইজই বেশি কইরা লইয়া যান


‘এক দাম এক রেট। এক টাকাও কম অইবো না। ছোটডা প্রতি কেজি ৪শ’ আর বড়ডা ৬শ’ টাকা কেজি। কেজিতে মাত্র ২০টা লাভ অইবো। কি আপা দিমু, কয় কেজি
আজ (শনিবার) সকাল ১০টায় আজিমপুর ছাপড়া মসজিদের সামনে একজন ইলিশ মাছ বিক্রেতা এক তরুণী ক্রেতাকে লক্ষ্য করে এ কথাগুলো বলছিলেন।



দুই ভ্যানগাড়িতে থরে থরে সাজিয়ে রাখা ৪শ’ ও ৬শ’ টাকা কেজি দামের ইলিশ মাছ। ক্রেতাদের অধিকাংশই দাম জিজ্ঞাসা করছিলেন কিন্তু কিনছিলেন কম। বিক্রি কম হলেও বিক্রেতার চোখে মুখে চিন্তার ছাপ নেই।
রহমান নামের ওই মাছ বিক্রেতা বার বার ক্রেতাদের উদ্দেশ্যে বলছিলেন, কাইল থাইক্যা তিন সপ্তাহেরও বেশি ইলিশ মাছ ধরা বন্ধ থাকবো। তাই ইলিশের সরবরাহ অনেক কম অইবো। এছাড়া আইজ নদীতে প্রতিমা ডুবাইবো। কথায় আছে, প্রতিমা ডুবানোর পর ইলিশ মাছের স্বাদ থাকে না, কাদা কাদা লাগে।
আজিমপুর স্টাফ কোয়ার্টারের বাসিন্দা সরকারি চাকরিজীবি আবদুস সালাম স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে এসে দেড় হাজার টাকায় আড়াই কেজি ইলিশ কিনেন। বেশ কয়েকবার দাম কিছুটা কম নেয়ার অনুরোধ জানিয়ে ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত এক দামেই মাছ কিনেন। 
এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, কয়েকদিন আগেও তিনি এর চেয়ে বড় সাইজের ইলিশ ৫শ’ টাকা কেজিতে কিনেছেন। কয়েক দিনের ব্যবধানে ইলিশের কেজি ১শ’ টাকা দাম বেড়েছে।



রিনা বেগম নামের আরেক গৃহবধূ বলেন, এ বছর ইলিশ মাছের দাম তুলনামূলক কম ছিল। পরিবার পরিজনকে নিয়ে যেমন খেয়েছেন তেমন কিনে ফ্রিজেও রেখেছেন। রিনা বেগম ইলিশ বিক্রেতার কথা উদাহারন টেনে বলেন, আমরাও ছোটবেলা থেকে মুরুব্বীদের মুখে শুনে আসছি প্রতিমা বিসর্জনের পর ইলিশ মাছের স্বাদ থাকে না। তাই আজ কিছু মাছ কিনতে আসছি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাজারে এখনও ইলিশ মাছের প্রচুর সরবরাহ রয়েছে। তবে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সার্কুলার অনুসারে আগামী ১ অক্টোবর (রোববার) থেকে ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ ও বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়। এ নিষেধাজ্ঞা ২২ অক্টোবর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এ সময়টা ইলিশ মাছের প্রধান প্রজনন মৌসুম। ইলিশ মাছ সংরক্ষণের জন্য এই ২২ দিন মাছ ধরা ও বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে নৌ পুলিশ তৎপর থাকবে।


সরকারের এই আদেশ অমান্য করে ইলিশ মাছ আহরণ ও বিক্রি করলে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেয়া হবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, জামদানির পর এবার বাংলাদেশের ইলিশ মাছ ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এর ফলে ইলিশ বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য হিসেবে সারা বিশ্বে স্বীকৃতি পেয়েছে।